প্রধান Quotes Calendar ফোরাম
flag

FX.co ★ ২৮ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

parent
ফরেক্স বিশ্লেষণ:::2026-07-28T04:39:04

২৮ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ:

EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট

২৮ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবারের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.1366-1.1377 এরিয়ার দিকে ফিরে আসে, যা এই পেয়ারের এক মাস ধরে বিদ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেলের লোয়ার বাউন্ডারি হিসেবে কাজ করছে। অতএব আজই হয় এই পেয়ারের মূল্য এই বাউন্ডারি থেকে বাউন্স করবে বা সেটি ব্রেক করার তৃতীয় প্রচেষ্টা চালাবে। এই পেয়ারের নতুন করে দরপতনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করার তেমন কোনো যৌক্তিকতা নেই, কারণ প্রকৃতপক্ষে তেমন কোনো কারণ ছিল না এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দিনের মধ্যে তিনবারও বদলে যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দুর্বল ছিল। তবুও দিনের বেশিরভাগ সময়ই মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছিল। রাতভর ট্রেডাররা জানতে পারে যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষ বন্ধ করেছে, কিন্তু এই ঘটনার প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া অতি সংক্ষিপ্ত ছিল, ফলে আবারও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ অস্পষ্টই রয়ে গেল। নিশ্চিতভাবে বলা যায় ট্রেডাররা এখনও ইউরো কারেন্সির পক্ষে থাকা সকল ইতিবাচক কারণ উপেক্ষা করে চলেছে। তাহলে ইউরোর দর বৃদ্ধির ব্যাপারে কী বলা যায়?

EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট

২৮ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। কেবল দিনের শেষের দিকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1366-1.1377 রেঞ্জে ফিরে আসে, তবে নতুন কোনো সিগন্যাল গঠিত হয়নি। অতএব আজ, মঙ্গলবার নতুন সিগন্যাল গঠনের প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে:

ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য উভয় ট্রেন্ডলাইনই ব্রেক করেছে এবং এখন আর সেগুলো প্রাসঙ্গিক নেই। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতি ও মুভমেন্ট বিবেচনা করে আমাদের ধারণা ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে; এবং এটির মূল্য এখনকার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পাওয়া উচিত। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মূলত সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে এবং ট্রেডাররা এখনও ইউরোর জন্য ইতিবাচক প্রায় সকল কারণ উপেক্ষা করে চলেছে।

মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1366-1.1377 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1267-1.1275-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 1.1366-1.1377 রেঞ্জ থেকে তৃতীয় রিবাউন্ডের পরে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে; যেখানে মূল্যের 1.1461-1.1466-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আজ আবারও এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1275, 1.1366-1.1377, 1.1461-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1594, 1.1655-1.1666, এবং 1.1745-1.1754। মঙ্গলবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্র—কোথাও কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই; তাই মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির মতো তেমন কিছু থাকবে না। টেকনিক্যাল বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে, তবে মার্কেটে আবারও দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Analyst InstaForex
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:
parent
loader...
all-was_read__icon
You have watched all the best publications
presently.
আমরা ইতোমধ্যে আপনার জন্য আকর্ষণীয় কিছু সন্ধান করছি।..
all-was_read__star
Recently published:
loader...
More recent publications...