প্রধান Quotes Calendar ফোরাম
flag

FX.co ★ ১২ আগস্ট কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

parent
ফরেক্স বিশ্লেষণ:::2026-08-12T07:49:49

১২ আগস্ট কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ:

১২ আগস্ট কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে বুধবার মাত্র একটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে; আজ যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক প্রতিবেদনটি নিয়ে ইতোমধ্যেই অনেক আলোচনা হয়েছে; জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির হার কতটা কমেছে বা বেড়েছে, তা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত ট্রেডাররা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনটি ফেডারেল রিজার্ভের সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়তা করবে না। এর কারণ হলো—প্রথমত, নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার সম্ভাবনা এমনিতেই অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। এবং দ্বিতীয়ত, জুলাই মাসে মুদ্রাস্ফীতি কমলেও আগস্ট মাসে তা আবার বেড়ে যেতে পারে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

১২ আগস্ট কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছুই নেই। সারাদিনে কোনো বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে না। তবে, এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের প্রয়োজনও নেই। শুক্রবারের নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা করাটা যৌক্তিক নয়। আমরা আরও মনে করি যে, ২০২৬ সালেও ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার মোটেও বাড়াবে না; তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোটা খুব একটা নিশ্চিত নয়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড সুদের হার বাড়াতে পারে, তবে সবকিছুই নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। আগস্টের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, কারণ জ্বালানি তেলের দর আবারও বাড়ছে এবং ব্যারেলপ্রতি $100-এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নিয়মিত একে অপরের ওপর আঘাত হানছে এবং কোনো আলোচনা হচ্ছে না। হরমুজ প্রণালী বন্ধ বা আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী সৌদি আরবের ওপর অবরোধ বজায় রেখেছে এবং ওয়াশিংটন যদি আবারও পূর্ণমাত্রায় চাপ প্রয়োগ করে তবে বাব-এল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান। ট্রেডাররা আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের উপর আস্থা রাখতে পারছে না এবং ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে ওমানের সাথে আলোচনা করতেই বেশি আগ্রহী। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ বজায় রাখে, তাহলে মাস্কাট ও তেহরানের মধ্যে কোনো চুক্তিরই আর কোনো অর্থ থাকে না। সেক্ষেত্রে ইরানও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে অবরোধ অব্যাহত রাখবে।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে সপ্তাহের শুরুর দিকে তুলনায় উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অধিক সক্রিয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে; কারণ সপ্তাহের শুরুতে মার্কেটে কার্যত তেমন কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি। আজ ইউরো 1.1527–1.1531 এবং পাউন্ড স্টার্লিং 1.3456–1.3476 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক প্রতিবেদনটির ফলাফল আজ মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Analyst InstaForex
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:
parent
loader...
all-was_read__icon
You have watched all the best publications
presently.
আমরা ইতোমধ্যে আপনার জন্য আকর্ষণীয় কিছু সন্ধান করছি।..
all-was_read__star
Recently published:
loader...
More recent publications...