EUR/JPY পেয়ারের বর্তমান মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে, বায়ারদের (buyers) নিয়ন্ত্রণ এখনো বেশ শক্তভাবে বজায় রয়েছে। পেয়ারটি একটি সুনির্দিষ্ট অ্যাসেন্ডিং চ্যানেল (ascending channel) বা উর্ধ্বমুখী চ্যানেলের ভেতরে ট্রেড করছে, যা ওভারঅল আপট্রেন্ড কন্টিনিউয়েশনের স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
প্রাইস সাময়িকভাবে ১৮৫.৭৫ সাপোর্ট লেভেলের নিচে নামার চেষ্টা করলেও সেলাররা সেখানে স্থায়িত্ব বজায় রাখতে পারেনি। এই ব্যর্থ ডাউনসাইড অ্যাটেম্পটের পর বাজারে বায়ারদের পুনরুত্থান ঘটেছে এবং ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে।
টেকনিক্যাল চ্যানেল ও সম্ভাব্য ট্রেডিং রেঞ্জ
নিকট ভবিষ্যতে পেয়ারটির প্রাইস মূলত ১৮৫.৯০ থেকে ১৮৬.৩০ রেঞ্জের মধ্যে লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বর্তমান মার্কেট স্ট্রাকচারের ওপর ভিত্তি করে প্রধান লেভেলগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
----------------------> প্রধান আপসাইড টার্গেট (চ্যানেল আপার বাউন্ডারি)
----------------------> নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স (ব্রেকআউট পয়েন্ট)
----------------------> তাৎক্ষণিক সাপোর্ট / রিসেন্ট লো
-------------> চ্যানেল লোয়ার বাউন্ডারি (মেজর সাপোর্ট)
এক্সিকিউশন প্ল্যান ও সিনারিও (Trading Plan)
বুলিশ ব্রেকআউট সিনারিও (Primary Plan): এই মুহূর্তে ১৮৫.৯০ লেভেলটি নিকটবর্তী প্রধান রেজিস্ট্যান্স বা বাধা হিসেবে কাজ করছে। বায়াররা যদি সফলভাবে এই ১৮৫.৯০ লেভেল ব্রেক করে এর ওপরে একটি ক্যান্ডেল ক্লোজ করাতে পারে, তবে তা প্রাইসকে আরও ওপরে ১৮৬.৩০ টার্গেটের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রথম এবং শক্তিশালী সংকেত দেবে।
সাময়িক পুলব্যাক সতর্কতা: রেজিস্ট্যান্স ব্রেকআউটের পূর্বে বা ঠিক পরপরই একটি ছোটখাটো পুলব্যাক বা রিট্রেসমেন্ট ঘটা অস্বাভাবিক নয়। তবে যেহেতু প্রাইস চ্যানেল স্ট্রাকচারের ভেতরের সাপোর্ট লেভেলগুলোর ওপরে রয়েছে, তাই এই পুলব্যাকগুলোকে নতুন বাই পজিশন তৈরির সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
ট্রেন্ড বায়াস: যদিও প্রাইস বর্তমানে ১৮৫.৯০ রেজিস্ট্যান্সের ঠিক নিচে ট্রেড করছে, তবুও মার্কেটের মূল পছন্দনীয় দিক (priority direction) কিন্তু বুলিশ-ই থাকছে।
পরামর্শ: প্রপার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বজায় রেখে ১৮৫.৯০ লেভেলের ব্রেকআউট কনফার্মেশন অথবা সাপোর্ট জোন থেকে রিজেকশন দেখে ট্রেডে এন্ট্রি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।