প্রধান Quotes Calendar ফোরাম
flag

FX.co ★ ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

back
Trader Journals:::2026-08-25T08:04:25

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬


ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ ছাড়া থাকতে পারেন না
সোমবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশন দেখা গেলেও, সামগ্রিকভাবে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যায়নি (যেমনটা প্রত্যাশা করা হয়েছিল)। আমরা আগেই উল্লেখ করেছিলাম যে সোমবারের তেমন কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে ন অ্যা; অর্থাৎ, সারা দিন ধরে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির মতো কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ছিল না। অবশ্য কিছু খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তবে সেগুলোর কোনোটিই ডলার বা ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্টের ইঙ্গিত দেয়নি। কারেন্সি মার্কেটে একটি মূল আলোচনার বিষয় হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা, যার ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন সংঘাতের সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিক গত সপ্তাহান্তেই জানা গেছে যে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বাণিজ্য চুক্তি হয়নি, যার জেরে ওয়াশিংটন কানাডা থেকে আমদানিকৃত অধিকাংশ পণ্যের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা করেছেন যে অটোয়া ৮ই সেপ্টেম্বর থেকে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে; এর জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই নতুন একগুচ্ছ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা শুরু করেছে। বাণিজ্য যুদ্ধের বিষয়টি যদি কেউ ভুলে গিয়ে থাকেন, তবে এখন সময় এসেছে ২০২৫ সালের সেই পরিস্থিতির কথা স্মরণ করার—যখন মার্কিন ডলারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছিল। চীনের সাথেও নতুন করে বাণিজ্য সংঘাত শুরু হতে পারে, যাদের সাথে গত বছর একটি ভঙ্গুর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখা প্রয়োজন যে, ২০২৫ সালে এই দুই দেশের মধ্যে আমদানি শুল্কের হার ২৫০% পর্যন্ত পৌঁছেছিল। ট্রাম্প মনে করেন যে বর্তমানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক অনেকটাই নিস্তেজ ও ঘটনাহীন হয়ে পড়েছে, তাই কিছুটা আলোড়ন সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তবে এবার ট্রাম্পের লক্ষ্য আমেরিকার প্রতি হওয়া কোনো 'বৈশ্বিক অবিচারের' বিরুদ্ধে লড়াই নয়, বরং দীর্ঘকাল ধরে সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। ট্রাম্প তেহরানের ওপর পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যার মাধ্যমে ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রবাহ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। যেহেতু ইরানকে সরাসরি সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা আমেরিকার পক্ষে সম্ভব নয় এবং যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতকে সীমিত পর্যায়ে রাখতে চায়, তাই ট্রাম্প চান যেন ইরানের বিরুদ্ধে এই আর্থিক অবরোধে অন্যান্য দেশও শামিল হয়। গত বছর ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে কোনো সমর্থন পাননি; তাই এবার তিনি এমন সব দেশকে এতে জড়াতে চাইছেন যাদের সাথে তেহরানের মিত্রতা বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। মূলত বিষয়টি চীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কারণ চীনই ইরানের তেলের প্রধান আমদানিকারক দেশ। ট্রাম্পের মতে, ইরানের সাথে লেনদেনকারী সব দেশেরই অবিলম্বে এই "বাজে কাজ" বন্ধ করা উচিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নেওয়া উচিত। আমরা প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে বেইজিং এই মতামতের সাথে একমত নয় এবং তারা তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থানেই অটল থাকবে। ইরানকে সমর্থনকারী যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রকাশ্যে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, তাই ধরে নেওয়া যায় যে চীনের বিরুদ্ধেও নতুন শুল্ক ও বিধিনিষেধের প্রস্তাব করা হবে। এর জবাবে বেইজিংও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক ও বিধিনিষেধ আরোপ করবে। ফলে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে হয়তো আবারও বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হতে পারে। কারও যদি মনে না থাকে, তবে জানিয়ে রাখা ভালো যে, গত বছর মার্কিন ডলারের দরপতনের প্রধান কারণ ছিল এই বাণিজ্য যুদ্ধ। সুতরাং, ডলারের দরপতনের কারণগুলোর দীর্ঘ তালিকায় আরও একটি নতুন কারণ যুক্ত হতে যাচ্ছে। গত 5 দিনের ট্রেডিংয়ে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গড় ভোলাটিলিটি ছিল 60 পিপস। পাউন্ড/ডলার পেয়ারের ক্ষেত্রে এই মানটিকে "গড়" হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার, আমরা 1.3572 এবং 1.3692 লেভেলের মধ্যবর্তী রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আপার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেলটি উপরের দিকে সরে গেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইঙ্গিত দেয়। CCI ইন্ডিকেটরটি আবারও 'ওভারবট' জোনে প্রবেশ করেছে, যা সম্ভাব্য কারেকশনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬


নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.3611 S2 – 1.3550 S3 – 1.3489 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.3672 R2 – 1.3733 R3 – 1.3794 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা মার্কিন অর্থনীতির ওপর অব্যাহতভাবে চাপ সৃষ্টি করছে, তাই আমরা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির আশা করছি না। ভূ-রাজনৈতিক কারণে ২০২৬ সালটি এখন পর্যন্ত মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল, তবে সবকিছুরই একটা শেষ থাকে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে, চার বছর ধরে চলা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কাঠামোর মধ্যে 1.3150 এবং 1.3780-এর মধ্যে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট বজায় রয়েছে, যা মধ্যমেয়াদে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সুযোগ করে দিচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য যখন মুভিং এভারেজের উপরে অবস্থান করবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের 1.3672 এবং 1.3692-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে 'লং পজিশন' ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে 'শর্ট পজিশন' ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3489 এবং 1.3428-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
ফান্ডামেন্টাল সংবাদ পেতে ভিজিট করুন: https://ifxpr.com/4ztuDTo
Forum user
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:
back
loader...
all-was_read__icon
You have watched all the best publications
presently.
আমরা ইতোমধ্যে আপনার জন্য আকর্ষণীয় কিছু সন্ধান করছি।..
all-was_read__star
Recently published:
loader...
More recent publications...