প্রধান Quotes Calendar ফোরাম
flag

FX.co ★ ৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

parent
ফরেক্স বিশ্লেষণ:::2026-01-30T06:04:30

৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা:

GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট

৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

বৃহস্পতিবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট না থাকায় ও কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত রেখেছিল। এই পেয়ারের মূল্য 450 পিপস বৃদ্ধি পরে প্রায় 100 পিপসের নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে। গত দুই দিনে 1.3751-1.3833-এর ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের কনসোলিডেশন হতে দেখা গেছে। তবে এই স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম...আজ বা আগামীকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, যা মার্কিন ডলারের চাহিদা সামান্য বাড়াতে পারে। মনে রাখা উচিত যে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে বিরল সময়ে হলেও ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে। পুরনো অভ্যাস দ্রুত মুছে যায় না। যাইহোক, আমরা ডলারের উল্লেখযোগ্য দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না। উল্লেখ্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি তথাকথিত "জ্বালানি শান্তিচুক্তি" হয়েছে এবং পূর্ণমাত্রার যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। একমাত্র প্রশ্ন হলো—ডনবাস। কয়েক বছর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার বাস্তব অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট

৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

5-মিনিটের টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ট্রেডিং সিগন্যাল গঠন হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 রেজিস্ট্যান্স এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করে এবং অবশেষে 1.3741-1.3751-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়। আবার এই এরিয়া থেকে বাউন্সের কারণে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.3814-1.3833-এ ফিরে আসে। ফলে নতুন ট্রেডাররা গতকাল তিনটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন: যার মধ্যে দুটি লাভজনক ছিল এবং তৃতীয়টি ব্রেকইভেনে ক্লোজ করা হয়েছে।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে:

ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে।

শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3741-1.3751 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেখানে মূল্যের 1.3814-1.3833-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে খুব একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পই মার্কেটে নতুন "ঝড়" সৃষ্টি করবেন সেই সম্ভাবনা অনেক বেশি।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Analyst InstaForex
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন:
parent
loader...
all-was_read__icon
You have watched all the best publications
presently.
আমরা ইতোমধ্যে আপনার জন্য আকর্ষণীয় কিছু সন্ধান করছি।..
all-was_read__star
Recently published:
loader...
More recent publications...